Posts

আজও ভুলতে পারিনি সেই মায়াবীনিকে (পর্ব -৯)

Image
মায়াবিনী! ! আমি যখন লিখছি হয়তো আমার জ্বরের তাপমাত্রা ১০৪ এর উপরে আর আমার অভ্যাস জ্বরের মাঝে আবোলতাবোল বলি হয়তো তাই করছি আর জান তো প্রবাসী জীবন তাই খুব একাকিত্ব অনুভব করছিলাম আর বার বার তোমার কথা মনে পড়ছিল !এই মনে পড়াটা কিন্ত অনিচ্ছাকৃত ....মনে পড়ে কি তোমার, যখন রাত্র জেগে জেগে তোমার সাথে কথা হত সেই তারা ভরা জ্যোস্না রাতে আর তুমি বলতে দেখ চাদটা কত সুন্দর আর আমি বলতাম চাদটা আমার ডান কানে .... আর আমাদের কথা না হলে কেমন জানি পাগল হয়ে যেতাম না জানি কতদিন কথা হয়না! আর যখন তুমি তোমার হল থেকে কোন কাজে বাহিরে যেতে আমি সারাক্ষণ ফোন করে জানতাম তুমি ফিরেছ কিনা কেন জানি তোমার প্রতি অদ্ভুত মায়া কাজ করত আর এখনো সেই মায়া স্পর্শ করে আমায়... কিছু মানুষ আছে যারা ভালবাসা করে ফেলে কিন্ত তা পায়না সবার কিসমত এক হয়না ! আমি প্রতিদিন দুয়া করি যেন আমার মত কিসমত কারো না হয় বিশেষ করে তোমার হে মায়াবিনী ....কেহ কেহ তো আছে যার ভালবাসার মানুষের সাথে কথা বলতে পারে,তার হাসি শুনতে পারে এবং তাকে অবলোকন করতে পারে, কিন্ত আমি তাও করতে পারিনা, কারন তোমায় ভালবাসার আগে শর্ত দেইনি যে তুমি সারাজীবন আমার হয়ে থাকবে ! ভালবাসার মাঝে...

আজও ভুলতে পারিনি সেই মায়াবীনিকে (পর্ব -৮)

Image
  হে মায়াবী! ! আমার সৌভাগ্য যে আমি তোমাকে কিছুক্ষনের জন্য হলেও আমার ভালবাসায় গলাতে পেরেছিলাম ....তুমি অনেক সুন্দর তারপরেও তোমাকে আমি ব্লাকডায়মন্ড বলে রাগিয়েছি..প্রথমবারের মত আমার ভালবাসায় তোমাকে নিরবতায় দেখেছি, হয়তো বা জীবনের কোন সুন্দর স্বপ্ন দেখছিলে...তোমাকে অনেক কিছুই বলতে ইচ্ছে করে কিন্ত পারিনা রাতের পর রাত অঘুমে কেটে যায় চোখ দুটো খুলা থাকে, এক আজিব ফিলিংস অনুভব হয় মনে কর যেন জান বের হয়ে যাচ্ছে.. ইচ্ছে করে তোমাকে.খুব জুড়ে সিনার সাথে ঝাপটে ধরি কিন্তু কেন জানি মনে আমার সিনাটা শতকেজির মত ভারি...ইতি পুর্বে যখন বিরহি সুর শুনতাম তখন কেন জানি পানসে পানসে লাগত কিন্তু আজকাল এক আশ্চর্য ধরনের ফিলিংস অনুভত হয় এবং মনে হয় যেন এই সুর শুধুই আমার জন্য তৈরী ...আমি জানি যা বলছি এটার মুল্য হয়তো এখন তোমার কাছে নেই কিন্ত আমার এহসাস অনুভুতি ফিলিংস তো বুঝবে... তুমি হয়তো ভাবছ মনে মনে বুলি আওরাচ্ছ....তুমি আমকে ভালবাস !! তোমার মনে হয় এটা পিয়ার ভালবাসা মুহাব্বত!! কোন আজনবি কে ভালবেসে পিতামাতাকে ছেড়ে চলে যাওয়াই কি ভালবাসা? এই ভালবাসাকে অনলাইনে পরিচিত অপরিচিত সবার সামনে.প্রকাশ করাটাই কি...

আজও ভুলতে পারিনি সেই মায়াবীনিকে (পর্ব -৭)

আজও ভুলতে পারিনি সেই মায়াবীনিকে (পর্ব -৭) আগুনঝরা পলাশ জানান দিচ্ছে বসন্তের আগমনী বার্তা। থোকা থোকা ফুল যেন আগুন জ্বালিয়ে দেয় প্রকৃতিতে। এ কারণেই বুঝি একে ডাকা হয় অরণ্যের অগ্নিশিখা। রুদ্র পলাশের রক্তিম বর্ণচ্ছটাও পলাশের মতোই। আবহমান গ্রামবাংলায় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকে শিমুলের গাছ। আকাশে রঙের মেলায় শিমুল যেন ডেকে যায় মধুপায়ী পাখিদের। শ্বেত-শিমুলের ডালেও দেখা মেলে বুলবুলির নাচন। 'আমি' 'তুমি' এক করে 'আমরা' করতে চেয়েছিলাম ... কখন যে সেটা শুধু 'তুমি' হয়ে গেছে টের পাই নি ... তাই আজ চেষ্টা টুকু চুলোয় দিলাম .. এই আমি বেশ ছিলাম .. তুমি তে তাই সব না দিয়ে কিছু না হয় আমিতে রাখলাম ! কথায় আছে “নদীর এক জলে দ্বিতীয়বার পা দেয়া যায় না”, আর আমিও তোকে শেষ সুযোগ দিয়েছিলাম আজ আমার ভালবাসার নদীতে পা দেবার জন্য, দ্বিতীয়বার আর সুযোগ দিতে পারব না। আমি নাহয় জলের মতই তোর পায়ের তলে হারিয়ে যাই। হাত বাড়িয়ে খোঁজার বৃথা চেষ্টা করিস না। সমস্ত ভালবাসায় শুধু মায়া যা আজকাল চুড়ির শব্দে ভেঙে যায় তাই হলো মানুষের পুড়া চোখের জল, প্রনয়ের তীব্র প্রবনতা কোমল বা প...

আজও সেই মায়াবিনী কে ভুলতে পারিনি !!!! (৬)

Image
আজও সেই মায়াবিনী কে ভুলতে পারিনি !!!! (৬) তোমার আইডির দিকে তাকাতে আমার ভয় লাগে কারন আজো তোমার আইডির দিকে তাকালে মনে হয় এই বুঝি নতুন করে আবার তোমার প্রেমে পড়বো ... এই বুঝি আবার তুমি আমাকে কষ্ট দিবে... এই বুঝি আমাকে ফেলে দূরে চলে যাবে... তখন কোন এক অজানা ভয়ে নিজেকে সরিয়ে আনি তোমার আইডির পোস্ট থেকে...কিন্তু শরীর টাকে সরিয়ে আনতে পারলেও মনটাকে আমি রেখে আসি তোমারি কাছে কোন এক অজানা ভালবাসার টানে... সত্যি অনেক ভালবাসি তোমায়.. তারপর তোমার স্ট্যাটাস দেখে থমকে গেছি আমি নিজের বিশ্বাস হারিয়েছি সেই ভয়াল স্তম্ভিত করা সেই রাতেই! !কে অনিদ্র চোখের পাশে রেখেছি মরুর বিদীর্ণতা কত দিন কাঁদিনি আমি দেয়া হয়নি এক বিন্দু অশ্রু ফোটা কত দিন ভাঙ্গেনি বুক; পাথরে চাপা দীর্ঘশ্বাস টা- চটপট করছে রাতের পর রাত! কষ্ট দেবতা আসেনি লণ্ডভণ্ড সাইক্লোনের তাণ্ডব নিয়ে হিমালয়ের বরফ গলেনি বুকের উপত্যকায় মৃত নদীর চোখ বেয়ে। কেহ বলেছিলেন......... নিঃশ্বাস নিতে আজ আমার খুবই কষ্ট হচ্ছে মনের সকল কষ্ট গুলো আজ বুকের উপর, খুব করেই চেপে বসে আছে। বুকের ধুকধুকানি ধীরে ধীরে বেড়েই চলেছে বুকের ভেতর অজানা এক কষ্ট বাসা বেঁধেছে, যা কুড়ে ...

আজও সেই মায়াবিনী কে ভুলতে পারিনি !!!! (৫)

Image
তোমার জন্য নিলিমা , আমি তোমার সব কষ্টের নীল সরিয়ে দেব ,চৈত্র মাসের অসীম গরমে একটু খানি বৃষ্টির ছটা হয়ে | বৈশাখের এলো মেলো ঝড়ে রাখব তোমায় আগলে,মনের ছাউনী দিয়ে | মেঘলা দিনে মনের ঘরে রাঙাবো তোমায় অসীম ভালবাসার রঙে | তুমি আমার প্রাণ ,তাই এই হৃদয়ের ঘর সাজায় আমি আমার মত করে,তোমায় নিয়ে | দেখো ঐ আকাশ আজ সেজেছে যে কত রঙ্গে শুধু তোমারি জন্যে | মনের যত দীর্ঘশ্বাস সরাবো যে তোমার, অসীম মমতার পরশে | জীবনে তোমার সব কষ্টের কালো মেঘ কে সরিয়ে ,এনে দিব খুশির প্লাবন ,আমার ভালবাসার বৃষ্টি দিয়ে | তুমি দেখবে আমায় তখন ঐ মনের কনে জমে থাকা সব কষ্ট কে সরিয়ে | চাদের আলোর জোস্নায় ভেজাবো তোমায়,ভালবাসার ছোয়া হয়ে . মুগ্ধ হয়ে নিজেকে হারাবে তখন এই আমার মাঝে | বিশ্বাস করো ,ভালবাস আর খুঁজে নাও তুমি তোমার সব কিছুকে শুধু এই আমার মাঝে, আর আমার সবটুকু ভালবাসা শুধু তোমার জন্য । নাহ্-কি হবে আর বিরহী প্রহরের ঘণ্টা শুনে-আর কত'! আর কতদিন প্রতীকী প্রার্থনা একটা সুখকর সুখবরের জন্যে-চাতক হয়ে'? কি হবে কর্মহীনের দৈনিক কাগজে রসহীন অক্ষর গিলে শূন্য পদে-হণ্যে হয়ে। আর কতদিন একই কবিতায় চোখ রেখে ঠোট দু'খানা- ...

আজও সেই মায়াবিনী কে ভুলতে পারিনি !!!! (৪)

Image
সুদীর্ঘ ফাগুন চৈত্রের খড়ার দাবদাহে দিন গুলিতে একফুটা বৃষ্টির আশায় ধুসর আকাশে চেয়ে থাকা বাংলার সবুজ তরুলতার তৃষ্ণার্ত চাতকী প্রিয়া ! পাইলে শ্রাবনের জলপ্রপাতের ধারা , সীমাহীন নীলাম্বর ঝাপাইয়া পড়ল তোমার নীলাম্বুময় বিশাল বুকে !!! শুধু নিকষ কালো অন্ধকারে ঢেকে রইল আমার চন্দ্রাহত পৃথিবী ।এই যে এই পানকৌড়ির মত আঁধারে ডুবে মনে পড়ল ‍তোমায় এই দোল পূর্ণিমার ভরা জোছনা রাতে।রাতের আকাশে অর্ধচন্দ্র দেখে তাকিয়ে থাকি আমি বহুদিন হয় জেগে উঠে না আর আমার ভেতর আমার আমি । যেখানে রাত জাগে কিছু বিষাক্ত পোকামাকড়দের সঙ্গে এক ডাহুক ঘুম ডানার সঙ্গ বুনে। ঘোর জোছনায় মাখা পাকা ধান ক্ষেতে ভেজা কুয়াশারা লুকোচুরি খেলা, সেখনে আমার পুনঃ জন্মের শবদেহ।তারপর ধীরে ধীরে রাত্তির নির্জনতা সুবহে সাদিকের আগমনী বার্তা সুনালী দিনমণির আগমনে ধরিত্রীকে বলছে আর কত উঠ ,ডের হয়েছে । আমি আমার বসন্তে হারিয়ে গেছি প্রিয়ার অপুর্ব কথার মাঝে । কি দারুন কথার সুর লহুরী যেন ফুলোচ্ছরী ।হারেয়েছে তার কথার মাঝে হাজারো যুবক ।এত সুন্দর শব্দ মালা ,তার চয়ন আমায় মুগ্ধ করেছে ।মুখের বলন ভংগী ,ভাষায় যে কারো পাগল করে প্রান উষ্ঠাগত। তবে আমার প্রিয়া আমা...

আজও সেই মায়াবিনী কে ভুলতে পারিনি !!!! (৩)

Image
কলঙ্কহীন পূর্ণিমার চাঁদ ।নাদুস-নুদুস কমনীয় অবয়ব ।কোমল কান্তি ,কাজল টানা চোখ , সুনীলে কৃষ্ণ নয়নমনি ,মায়াবী চাহুনি ,ছুয়ুফী ভ্রু যুগল ।পরিমানমত উন্নত নাসিকা ;মুক্তারযত দন্তরাজী,আবিরী ওষ্ঠ ,চন্দ্রানী কপাল ,আপেলী ছুরাত,আবীরে লাবান রং ,ঘন কৃষ্ণ কেশ, ননী পেলিওকায় , স্বল্প ভাষী -হাসিলে মুক্তা ,কাঁদিলে মানিক ,কথা বলিলে স্বজন ,মৌনে ঋষি ,গম্ভীর শান্তশিষ্ট নম্র-ভদ্র । কি আশ্চর্য সুন্দরী মানবী তুমি! তোমাকে দেখলেই কেমন যেন পাগল হয়ে যায় পৃথিবীর প্রকৃতি। তোমাকে কোন দৃষ্টান্ত জন্য বুঝি সৃষ্টি করেছেন, মহাময় বিধি! এত সুন্দর তুমি প্রকৃতিও হারমানে অপরুপ পূর্ণিমার জোস্না তোমার মোহনীয় রুপে; নিস্প্রভ হয়ে যায়! তোমাকে কল্পনায় সবাই অন্ধকার ঘরে উপস্থিত করে ; দেখে আমার অন্ধকারাচ্ছন্ন ঘর- তোমার নূরালোকিত রুপে অসম্ভব আলোকিত, আর কারো ইলেক্ট্রিক বাল্ব জ্বালাতে হয় না।মালয়ানিলে তোমার আওলা কেশে হিল্লুল তুলছে ।তার সাথে যোলফী যেন আরো সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিছে । তুমি আসবে বলে আজও জেগে আছে চাদ হে চান্দ একটু দুরে যাও আমি প্রিয়তমাকে দেখি তার হাসির ঝংকারে গগণের তারাকরাজির বৃষ্টি হয় কবে তার নয়নপুত্তুলী ডেকে দিয়েছে জুলফীর কাল ক্যাশ...